• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

রাখাইনের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রোহিঙ্গা নিপীড়নের দায়ে মিয়ানমারের একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মং মং সোয়ে-কে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিয়ানমারের শীর্ষ সাত সেনা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যে তালিকা প্রকাশ করে, সেখানে এ কর্মকর্তাটির নামও ছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডার পক্ষ থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কয়েক ঘন্টা পরেই সামরিক বাহিনী থেকে তাকে বরখাস্তের ঘোষণা এলো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এছাড়া মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সাথে কোনো রকম সামরিক সহযোগিতা করবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

মং মং সোয়ের ওপর গত ডিসেম্বর মাসে আমেরিকার তরফ থেকেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। গত বছরের শেষ দিকে তাকে রাখাইন অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফের দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাখাইন অঞ্চলে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের পুলিশের উপর রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির আক্রমণের সময় ওই অঞ্চলের ‘নিরাপত্তা পকিল্পনা’ যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করতে ব্যর্থ হওয়ায় জেনারেল মং মং সোয়ে-কে সামরিক বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা আরেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল অং কেও জ-কে এক মাস আগে ”স্বাস্থ্যগত কারণে” পদত্যাগের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তিনিও রাখাইন অঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, মিয়ানমারের যেসব সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তারা রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন, হত্যা, যৌন সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী।

উল্লেখ্য, রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের হত্যা, নারীদের ধর্ষণ এবং অগ্নিসংযোগ থেকে বাঁচতে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে দুই দফায় সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। সূত্র : বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ